প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

২০০৭ সালে ঢাকার প্রাণকেন্দ্রের ট্রমা মেডিক্যাল এ্যাসিসট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল এর অগ্রযাত্রা । স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কতৃক অনুমোদন লাভ করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের অধীনে ২০০৭-২০০৮ শিক্ষাবষ হতে মাত্র ১৫ জন ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির আত্নপ্রকাশ। এই স্বপ্নযাত্রার দূগম পথ পাড়ি দেওয়ার সহযোগী হিসাবে পান একদল মেধাবী, দক্ষ ও অসম্ভব পরিশ্রমী কমকতা কমচারী এবং শিক্ষক মন্ডলী। কলেজটিতে লেখাপড়ার সুষ্ঠু পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক প্রতিভা বিকাশ ও নৈতিক শিক্ষা লাভের সব ধরনের ব্যবস্থা থাকবে এ ধরনের প্রত্যয় নিয়েই কলেজটির যাত্রা শুর হয়েছে। সব সময় রাজনীতি, ধুমপান ও সন্ত্রাস মুক্ত পরিবেশ বিরাজমান। এ দীঘ যাত্রা পথে সংযোজিত হয়েছে আরো ৭টি প্রতিষ্ঠন। সবোপরি ট্রমা মেডিকেল আজ এক বিশাল পরিবার । ট্রমা সেন্টার মেডিকেল ইনিষ্টিটিউট এর আওতায় রয়েছে ট্রমা ইনিষ্টিটিউটি অব মেডিকেল টেকনোলজি ২ ট্রমা মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল শ্যামলী মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল টাংগাইল মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল ৫ ঘাটাইল মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল দেশে বতমানে দক্ষ ও আদশবান মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ও টেকনোলজিষ্ট এর প্রয়োজন প্রকট । সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত কল্পে উল্লেখিত দক্ষ জনবল তৈরীর দৃঢ় প্রত্যয়ে প্রতি বছর আমাদের পাচটি শাখা থেকে বের হচ্ছে দক্ষ মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ও টেকনোলজিষ্ট

অধ্যক্ষ

Principal's Message ডাঃ মোঃ তাজুল ইসলাম তালুকদার

এম বি বি এস (ঢাকা), বি এইচ এস (আপার)

 

বাংলাদেশের জনসংখ্যা অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা মূলক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা খুব বেশি নয়। বাংলাদেশ সরকার চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কমিউনিটি সেন্টার, পরিবার-পরিকল্পনা ও পল্লী উন্নয়ন চিকিৎসা সহ যে প্রতিষ্ঠান সমুহ স্থাপন করেছে সে তুলনায় একজন দক্ষ ও প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের যথেষ্ট অভাব রয়েছে । সরকার বাংলাদেশকে রোগ মুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্যে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ও আই এমটির অনুমোদন দিয়েছেন । তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ট্রমা ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল এ্যাসিস্টেন্ট ট্রেনিং স্কুল , টাঙ্গাইল মেডিকেল এ্যাসিস্টেন্ট ট্রেনিং স্কুল, ট্রমা ইনষ্টিটিউটসব মেডিকেল টেকনোলজি, শ্যামলী মেডিকেল এ্যাসিস্টেন্ট ট্রেনিং স্কুল ও ঘাটাইল আইএমটি এন্ড ম্যাটস। ইতোমধ্যে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ডাক্তারের মাধ্যমে পাঠদান করিয়ে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত টেকনোলজিস্ট তৈরি করে ট্রমা আইএমটির খ্যাতি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে যেটা জাতির জন্য কল্যাণকর দিক। সর্বোপরি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যে , এ খ্যাতি ধরে রেখে , পূর্ণ পাঠদান ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এমন প্রশিক্ষিত লোক গড়ে তুলব , যারা এদেশকে একটি রোগ মুক্ত দেশে গড়ে তোলার দীপ্ত অঙ্গীকার নিয়ে বের হবে এবং বিদেশের বুকে তাদের মেধার স্বাক্ষর রাখবে। দেশ ও জাতির হাসি ফুটবে।

আসন সংখ্যা
  • ট্রমা ম্যাটস ২০০

     

নোটিশ
ভিডিও চ্যানেল